আকরাম উদ্দিন::
সুনামগঞ্জের শিক্ষা ও সামাজিক অঙ্গনে নীরবে আলো ছড়ানো মানুষদের কথা মনে হলে প্রফেসর পরিমল কান্তি দে-এর নামটি অনিবার্যভাবেই সামনে আসে। দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে তিনি যেমন জ্ঞান ও মেধার আলো ছড়িয়েছেন, তেমনি অবসর জীবনে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে হয়ে উঠেছেন পরামর্শ, সাহস ও নির্ভরতার এক আশ্রয়। প্রচারের আলো থেকে দূরে থাকেন সবসময়ই। অথচ মানুষের ভালোবাসা ও আস্থার জায়গায় তিনি আজও উজ্জ্বল। সর্বজন শ্রদ্ধেয় প্রফেসর পরিমল কান্তি দে সৎ, নিষ্ঠাবান, পরোপকারী ও সমাজসচেতন একজন শিক্ষাবিদ। দীর্ঘ প্রায় ৩৩ বছরের শিক্ষকতা জীবনে দেশের বিভিন্ন সরকারি কলেজে শিক্ষকতা, প্রশাসনিক দায়িত্ব এবং অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেছেন। জ্ঞান, মেধা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে শিক্ষকতা পেশায় অবদান রাখার পাশাপাশি অবসর জীবনেও নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন সামাজিক কর্মকা-ে। তাঁর আলোকিত জীবনের গল্পটি লিখব, এই ইচ্ছা অনেক দিনের। কিন্তু নানা ব্যস্ততায় এতদিন সময় করে ওঠা হয়নি। গত ২২ আগস্ট (শনিবার) সকাল ১০টায় তাঁর বাসায় গিয়ে আলাপের সুযোগ হয়। ভাবছিলাম, অবসর জীবনের একজন মানুষের সঙ্গে নিরিবিলি বসে কথা বলব। কিন্তু তাঁর বাসায় পৌঁছেই সেই ধারণা বদলে গেল। সেখানে দেখলাম, নীরবে-নিস্তব্ধে একে একে মানুষজন আসছেন। নানা বিষয় নিয়ে অনেক কিছু জানতে। বুঝতে পারলাম, অবসর তাঁকে জীবনের ব্যস্ততা থেকে দূরে সরিয়ে দেয়নি। বরং মানুষের প্রয়োজনের জায়গায় তাঁর উপস্থিতি এখনো আগের মতোই গুরুত্বপূর্ণ। আমার দিকে তাকিয়ে মৃদু হেসে তিনি বার বার বলছেন, এদের বিদায় করেই তোমার সঙ্গে আলাপ শুরু করব। খুব সাধারণ একটি বাক্য। কিন্তু সেই কথার মধ্যেই যেন তাঁর বর্তমান জীবনের একটি বড় পরিচয় লুকিয়ে আছে। বয়স তাঁকে কর্মজীবন থেকে অবসর দিয়েছে, কিন্তু মানুষের প্রয়োজন থেকে নয়। যাক, কিছুক্ষণ পর শুরু হলো কথোপকথন। তাঁর জীবনের নানা অধ্যায়- শৈশব, পরিবার, শিক্ষাজীবন, শিক্ষকতা, কর্মজীবন, মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা, সবকিছু নিয়েই কথা হলো। কখনো তিনি ফিরে গেলেন শৈশবের স্মৃতিতে, কখনো বললেন শিক্ষকতা জীবনের কথা, আবার কখনো বর্তমান সমাজ ও মানুষ নিয়ে নিজের ভাবনার কথা জানালেন। আলাপ শেষে যখন তাঁর বাসা থেকে বেরিয়ে আসছিলাম, মনে হচ্ছিল, বয়স শরীরে তাঁর ছাপ ফেলেছে ঠিকই, কিন্তু মানুষের জন্য ভাবনার জায়গাটি এখনো আগের মতোই সতেজ। স্মৃতির কোনো কোনো জায়গায় হয়তো সময়ের কারণে সামান্য বিরতি আসে, কথার মাঝেও কখনো থামতে হয় কিন্তু মানুষের প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতায় কোনো বিরতি নেই।
জন্ম ও পারিবারিক পরিচয়: প্রফেসর পরিমল কান্তি দে ১৯৪৯ সালের ১৫ জুলাই সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের পাটকুরা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা স্বর্গীয় কিশোরী মোহন দে এবং মাতা স্বর্গীয় সুহাসিনী দে। দুই ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। তাঁর বাবা কিশোরী মোহন দে ছিলেন সে সময়ের একজন মেধাবী শিক্ষার্থী। হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ জে.কে. হাইস্কুল থেকে ১৯২৪ সালে দু’টি বিষয়ে লেটারসহ প্রথম বিভাগে মেট্রিকুলেশন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তিনি মেধার স্বাক্ষর রেখেছিলেন। পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যেও শিক্ষা ও কর্মজীবনে সাফল্যের দৃষ্টান্ত রয়েছে। তাঁর ভাই দীপক রঞ্জন দে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ফান্ড ম্যানেজমেন্ট কনসালটেন্ট এবং অবসরপ্রাপ্ত অডিট কর্মকর্তা। বর্তমানে তিনি ঢাকায় বসবাস করছেন। ছোট বোন সুতপা দে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার। তিনি বর্তমানে সুনামগঞ্জে বসবাস করছেন। বড় বোন স্বর্গীয় আরতি দে ছিলেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। পরিমল কান্তি দে’র স্ত্রী স্বর্গীয় ঝর্ণা চৌধুরী ছিলেন গ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। ২০১৩ সালে দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাঁদের একমাত্র মেয়ে শ্রাবণী দে প্রাপ্তি আইসিটিতে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করে বর্তমানে ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত।
বাল্যকাল ও শিক্ষাজীবন: পরিমল কান্তি দে’র শিক্ষাজীবনের সূচনা ১৯৫৫ সালে সুনামগঞ্জ শহরের রাজগোবিন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। পরবর্তীতে সুনামগঞ্জ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৬৫ সালে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ওই সময় কুমিল্লা বোর্ডের মানবিক বিভাগে এসএসসি পরীক্ষায় পঞ্চম স্থান অর্জন করে তিনি তাঁর মেধার উজ্জ্বল স্বাক্ষর রাখেন। এরপর সুনামগঞ্জ কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ১৯৭০ সালে সিলেট এমসি কলেজ থেকে রসায়ন শাস্ত্রে বিএসসি অনার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে এমএসসি ডিগ্রি লাভ করেন। তাঁর বাল্যকাল মূলত কেটেছে সুনামগঞ্জ শহরে। মাত্র তিন বছর বয়সে পরিবারের সঙ্গে তিনি পৌর শহরের হাছননগর এলাকার শান্তিবাগ রোডের উপত্যকা-২০ আবাসিক এলাকায় নিজস্ব বাসায় চলে আসেন। তাঁর স্মৃতিতে সেই সময়ের সুনামগঞ্জ ছিল শান্ত, নিরিবিলি ও পরিচ্ছন্ন একটি শহর। রাজগোবিন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ার সময় সহপাঠীদের সঙ্গে তাঁর ছিল আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক। পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলাতেও অংশ নিতেন তিনি। তিনি জানালেন, সেই সময়ের শিক্ষকদের আদর্শ, কর্তব্যনিষ্ঠা ও মূল্যবোধ তাঁর জীবনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। আজও তিনি মনে করেন, একজন শিক্ষকের কাছ থেকে শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানই পাওয়া যায় না, তাঁর আচরণ, মূল্যবোধ ও জীবনদর্শনও একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
শিক্ষকতা জীবনের শুরু: শিক্ষাজীবন শেষ করে ১৯৭৪ সালের ১০ মে সিলেট এমসি কলেজে রসায়ন শাস্ত্রের প্রভাষক হিসেবে শিক্ষকতা জীবন শুরু করেন পরিমল কান্তি দে। ১৯৮৪ সালে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেয়ে তিনি চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ উপজেলার হাজী এ.বি. কলেজে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ১৯৮৪ সালের ৩১ মে সিলেট সরকারি কলেজে একই পদে দায়িত্ব পালন করেন। সহকারী অধ্যাপক হিসেবে সিলেট সরকারি কলেজ ছাড়াও সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ ও সিলেট সরকারি মহিলা কলেজে শিক্ষকতা করেন। ১৯৯৪ সালে সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেয়ে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে যোগদান করেন। ২০০০ সালে অধ্যক্ষ হিসেবে প্রথমে লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর সরকারি কলেজে দায়িত্ব পান। এরপর শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজ ও জকিগঞ্জ কলেজেও অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ২০০৩ সালে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেয়ে ফরিদপুর রাজেন্দ্র কলেজে যোগদান করেন। সেখান থেকে মৌলভীবাজার সরকারি কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। চাকরিজীবনের শেষ পর্যায়ে ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন। ২০০৬ সালের ১৩ জানুয়ারি পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করে অবসরগ্রহণ করেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে নিজ শহরের এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই শেষ হয় তাঁর দীর্ঘ প্রায় ৩৩ বছরের বর্ণাঢ্য শিক্ষকতা জীবনের আনুষ্ঠানিক অধ্যায়। শিক্ষকতা-শুধু পেশা নয়, একটি দায়িত্ব : দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বলতে গিয়ে প্রফেসর পরিমল কান্তি দে জানান, বিভিন্ন কলেজে চাকরির সুবাদে দেশের অনেক জ্ঞানী-গুণী শিক্ষকের সংস্পর্শে আসার এবং তাঁদের কাছ থেকে শেখার সুযোগ হয়েছে। এটিকে তিনি তাঁর জীবনের অন্যতম সৌভাগ্য বলে মনে করেন। তাঁর কাছে শিক্ষকতা কখনোই কেবল চাকরি ছিল না। শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধে গড়ে তোলার দায়িত্ব হিসেবেই তিনি শিক্ষকতাকে দেখেছেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে শিক্ষা প্রশাসন সম্পর্কেও তিনি অর্জন করেছেন বিস্তৃত অভিজ্ঞতা। অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে প্রতিষ্ঠান পরিচালনার পাশাপাশি শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে কাজ করেছেন।
অবসর নিয়েও মানুষের কাছ থেকে দূরে নন: চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের পর অনেকেই ধীরে ধীরে নিজেদের গুটিয়ে নেন। কিন্তু পরিমল কান্তি দে যেন সেই প্রচলিত ধারার ব্যতিক্রম। অবসর জীবনেও তিনি নিজেকে যুক্ত রেখেছেন বিভিন্ন সামাজিক কর্মকা-ে। নানা সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় সংগঠনের সাথে যুক্ত রয়েছেন। এছাড়া দুর্নীতিবিরোধী সংগঠন সচেতন নাগরিক কমিটির একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবেও কাজ করে যাচ্ছেন। সমাজের নানা সমস্যা, মানুষের নৈতিক অবক্ষয়, শিক্ষা ও নাগরিক দায়িত্ব নিয়ে তাঁর ভাবনা এখনো প্রবল। তাঁর সঙ্গে দেখা করতে আসা মানুষের সংখ্যাই যেন তার প্রমাণ। কেউ ব্যক্তিগত সমস্যা নিয়ে আসেন, কেউ সামাজিক কোনো বিষয়ে পরামর্শ চান। বয়স, পেশা কিংবা পরিচয়ের ভেদাভেদ না করে তিনি সবার কথা মন দিয়ে শোনেন।
প্রচারের আড়ালে অর্ধশত স্বীকৃতি: দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবন ও সামাজিক কর্মকা-ে বিভিন্ন অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রফেসর পরিমল কান্তি দে পেয়েছেন অর্ধশত সম্মাননা। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, এসব অর্জন নিয়ে তাঁর মধ্যে কোনো আত্মপ্রচারের প্রবণতা নেই। এ কারণেই তাঁকে বলা যায়, প্রচারবিমুখ একজন আলোকিত মানুষ। মানুষের ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও আস্থা, এগুলোই যেন তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
বয়স বাড়ে, দায়িত্ববোধ নয় : ১৯৪৯ সালে জন্ম নেওয়া এই শিক্ষাবিদ জীবনের ৭৭ বছর পেরিয়েও জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে নিজেকে সক্রিয় রেখেছেন। শরীর বয়সের কথা মনে করিয়ে দেয়। সময় কখনো স্মৃতির পাতায় ধুলো জমায়। কিন্তু মানুষের জন্য কিছু করার ইচ্ছা যেন বয়স মানে না। তাঁর জীবন থেকে সবচেয়ে বড় যে শিক্ষা পাওয়া যায়, তা হলো, একজন মানুষ কর্মজীবন থেকে অবসর নিতে পারেন, কিন্তু মানুষের প্রতি দায়িত্ব থেকে অবসর নেওয়ার প্রয়োজন নেই। প্রফেসর পরিমল কান্তি দে তাই শুধু একজন শিক্ষাবিদ নন, তিনি সুনামগঞ্জের শিক্ষা ও সামাজিক অঙ্গনের এমন একজন মানুষ, যাঁর কাছে এখনো মানুষ যায় পরামর্শের জন্য, সান্ত¡নার জন্য এবং জীবনের কঠিন সময়ে একটু পথনির্দেশনার আশায়। তাঁর জীবনের দিকে ফিরে তাকালে দেখা যায়, একটি দীর্ঘ পথ পেরিয়ে তিনি আজ যেখানে দাঁড়িয়ে আছেন, তার পেছনে রয়েছে শিক্ষা, মেধা, সততা, দায়িত্ববোধ এবং মানুষের প্রতি গভীর মমত্ববোধ। হয়তো প্রচারের আলোয় তিনি কখনো খুব বেশি আসেননি। কিন্তু নীরবে মানুষের জীবনে যে আলো তিনি জ্বালিয়েছেন, সেটিই তাঁর সবচেয়ে বড় পরিচয়। শ্রদ্ধেয় পরিমল স্যার, আপনার আলোকিত জীবন, কর্ম ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার গল্প আমাদের প্রজন্মের জন্য যেমন অনুপ্রেরণার, তেমনি আগামী প্রজন্মের জন্যও অনুসরণীয়। তাঁর জীবনের কিছু কথা তুলে ধরার এই প্রয়াস। কেবল একটি সাক্ষাৎকার নয়, এটি একজন নীরব আলোকবর্তিকার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনেরও প্রয়াস। শেষ কথা: শিক্ষকতা ও সামাজিক কর্মকা-সহ জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে তাঁর বহুমাত্রিক সম্পৃক্ততা প্রফেসর পরিমল কান্তি দে-কে সুনামগঞ্জের ইতিহাসে একটি স্বতন্ত্র অবস্থান দিয়েছে। সময়ের সঙ্গে অনেক মুখ আড়ালে চলে যায়, অনেক কর্মযজ্ঞও বিস্মৃতির আড়ালে হারিয়ে যায়। কিন্তু মানুষের জীবন ও কর্ম কখনো কখনো সময়কে অতিক্রম করে ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকে। প্রফেসর পরিমল কান্তি দে তেমনই একজন আলোকিত মানুষ। তাঁর দীর্ঘ কর্মময় জীবন, শিক্ষা ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা সুনামগঞ্জের মানুষের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। আমরা তাঁর সুস্বাস্থ্য, সুখ-শান্তি ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।
[লেখক: আকরাম উদ্দিন, সাংবাদিক ও গল্পকার]
আমাদের গুণীজন
প্রফেসর পরিমল কান্তি দে : মানুষ গড়ার কারিগর, মানুষেরই আপনজন
- আপলোড সময় : ৩০-০৮-২০২৬ ০৭:৩৩:৫৭ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ৩০-০৮-২০২৬ ০৭:৪০:২৩ পূর্বাহ্ন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক সুনামকণ্ঠ